ভাইয়ার সাথে রোমান্টিক প্রেম bangla choti golpo

ভাইয়ার সাথে রোমান্টিক প্রেম bangla choti golpo আমি তিথি বয়স এখন ২৩। আমার ২ বোন, বড় এক বোন ও ভাই, এবং ছোট ১ বোন। তো সরাসরি ঘটনাতে আসা যাক। আমার ভাইয়ার নাম আসিফ। এখন সরাসরি ঘটনায় আসা যাক। bangla choti golpo ঘটনা শুরু যখন আমার বয়স ১৮, আমার ভাইয়ার বয়স ২০। ভাইয়ার হাইট ৬ ফুটের কাছাকাছি , ফরসা , শক্ত শরীর। আর আমার মাত্র ৫ ফুটের মতো হবে, বয়সের তুলনায় আমার শরীর ততটা ম্যাচিউরড না। ছোট ছোট দুধ। আমি ছোট থেকেই ভাইয়ার প্রতি অন্য রকম আকর্ষণ বোধ করতাম… বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সেই আকর্ষণ আরো তিব্র হয়ে ওঠে। ভাইয়া খুবই শান্ত-শিষ্ট, ভদ্র ছেলে। ভাইয়া মেয়েদের মাঝে ভাইয়া স্বপ্নের ছেলে ছিল। আমার কাছেও। bangla choti golpo যখন, আমার স্কুলের বড় আপুরা ভাইয়া সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসা করতো খুবই হিংসা হতো। ভুলভাল বলতাম, রাগ করতাম… ভাইয়া শুধুই আমার, আমি কাওকে কোনোভাবেই ভোগ করতে দেব না। রাগ করার পর ভাইয়া যখন আমাকে জড়িয়ে ধরে শান্তনা দিত, তখন আমি অন্য জগতে হারিয়ে যেতাম, ভাইয়ার সাথে মিশে যেতে চাইতাম। একদিন একটি দুঃস্বপ্ন দেখার পর আমি রাত ৪ টার দিকে কান্না করে করে ভাইয়ার রুমে গেলাম। গিয়ে দেখলাম এলোমেলো হয়ে শুয়ে ঘুমাচ্ছে। ইশ, কি মায়াবি লাগছিল।bangla choti golpo ইচ্ছা করছিল, সারাটা জীবনের জন্য ভাইয়ার উপর নগ্ন হয়ে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকতে। আমি নিজেকে কন্ট্রল করতে পারলাম না। কাছে গিয়ে দেখলাম, গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, গালে হাত রেখে আস্তে করে ঠোটে চুমু দিতে থাকলাম। আমার জীবনের প্রথম চুমু, তাও আবার নিজের ভাইয়ের প্রেমে পরে, পুরো শরীর দিয়ে শিহরণ বয়ে গেল। ঠোট দুটো ভালো করে চেটে দিয়ে দেখলাম ঘুমের মাঝেই ভাইয়ার নুনু কিছুটা দাড়িয়ে গেছে। ধরে দেখতে খুবই ইচ্ছা করলো, কিন্তু সজাগ হয়ে যাবে ভয়ে, দৌড়ে পালিয়ে যাই।bangla choti golpo সারারাত খুশিতে ঘুমুতে পারি নি। এই প্রথম আমি শারীরিক টান অনুভব করলাম ভাইয়ার প্রতি… পরের দিন থেকে সবসময় ভাইয়ার পিছনে ঘুরঘর করতে লাগলাম। কাছে বসে টিভি দেখার সময় বুকটা ভাইয়ার পিঠের সাথে অন্যমনষ্ক হয়ে লাগিয়ে রাখার চেষ্টা করতাম। আর ভাইয়া একটু অস্বস্তি বোধ করলেই সরে যেত। একসাথে গেম অব থ্রোন্স দেখতে বললাম, শুরুতে বললো কাহিনীটা খারাপ না। কিছু দিন পরে মনে হয় ইনচেস্ট রিলেশন বা রোমান্টিক আসলেই স্কিপ করে দিল, আমি যেটার অপেক্ষায় থাকতাম। আমার লক্ষ্মী স্বপ্নের রাজকুমার আমার বড় ভাই। ২ মিনিট তাকিয়ে থাকলে আমার সারাটা দিন মন ফুরফুরে থাকে।bangla choti golpo ২ দিন পরে বাসায় গেস্ট আসলো। আমি ভাইয়ার রুমে ঘুমাবো ঠিক করা হয়েছে। আনন্দে আমি আত্মহারা হয়ে গেলাম। ভালো করে হালকা সেজে ভাইয়ার রুমে ঘুমুতে গেলাম। ভাইয়া কোলবালিশ ছাড়া ঘুমাতে পারে না, আর আমি কোলবালিশ টা পাশের রুমে দিয়ে এসে বললাম বালিশের অভাব, ভাইয়াকে হতাশ দেখাল। আমি ভাবলাম আমি থাকতে তোমার কোলবালিশ হবো আমি। ভাইয়া, রাত জেগে পড়াশুনা করে। এই ফাকে আমি শুয়ে শুয়ে ভাবতে থাকলাম, কিভাবে এপ্রোচ করবো। ভাইয়াকে জানাবো আমার মনের অনুভূতি।bangla choti golpo রাত ২ টার দিকে ভাইয়া শুতে এলো। বললো, ” এখনো ঘুমাস নাই কেন? ” আমি বল্লাম, “ঘুম আসে না, এখন আসবে।” বলেই হেসে দিলাম। ভাইয়া বললো কোলবালিশ ছাড়া আমার ঘুম হয় নাকি জানি না, ভুলেও আমার উপর কিন্তু পা তুলবি না। আমি বললাম, “ঘুমের মধ্যে উঠলে আমার দোষ নাই” , ভাইয়া জোরে বললো, “চুপ, ঘুমা”। ঘুম হবে না বললেও, ভাইয়া এতো পরিশ্রম করার পরে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লো। আর আমি টিশার্ট খুলে স্লিভলেস পড়ে ভাইয়াকে জড়িয়ে ধরলাম। ভাইয়া একটা থ্রি কোয়ার্টার আর ভেস্ট পড়ে শুয়েছিল।bangla choti golpo ভাইয়ার উষ্ণতা অনুভব করে শিউরে উঠছিলাম, ভাইয়ার গেঞ্জির ভিতর দিয়ে বুকে হাত রাখলাম। আমার হার্টবিট বেড়ে গেল, আমি তন্দ্রায় চলে গেলাম কিছুক্ষণের জন্য। স্বপ্নে দেখলাম, “আমি ভাইয়ার নুনু খুব জোরে জোরে চুসছি, আর ভাইয়া খুব এনজয় করছে। একটু পর নুনু থেকে সাদা স্পার্ম বের হলো, আর আমি সেগুলো খেয়ে নিজের দুধে মেখে নিলাম। আর ভাইয়া আমাকে বুকে টেনে নিল। ” স্বপ্ন ভাঙতেই উত্তেজিত হয়ে গেলাম। প্রথমবারের মতো, এতো এক্সাইট্মেন্টের স্বপ্ন দেখলাম, খুবই খুশি হলাম, ভাইয়াকে নিয়ে দেখে। খেয়াল করলাম, আমার নিচের দিকে একটু একটু ভিজে গেছে । আমি সব কিছু ভুলে গিয়ে ভাইয়াকে জোরে জোরে কিস করা শুরু করলাম, আর লুকিয়ে থাকতে পারবো না। এই সুন্দর মায়াবী মুখটাকে চাটতে চাটতে বুকে হাত দিতে গেলেই ভাইয়া ঘুম থেকে উঠে পরে, জোরে বলে,” স্বপ্নের মাইর, আমার উপরে উইঠা মারতাসস কেন।” আমি ভাইয়াকে বললাম, ভাইয়া আমি তোমাকে খুবই ভালোবাসি। ভাইয়া নিজেকে সামলে নিয়ে বললো “এটা আবার বলার কি আছে, তোর একটা মাত্র ভাই।” bangla choti golpo আমি বললাম, “ভাইয়া, তোমাকে আমি অন্যরকম ভালোবাসি, সেই ছোটবেলায় তোমার প্রেমে পড়েছিলাম। তুমি আমার স্বপ্নের রাজকুমার, আমি তোমার রানি হতে চাই। বোন না। ” ভাইয়া এবার হতবম্ব হয়ে একটু সময় নিয়ে বললো, ” কি বলছিস এইসব, ঘুমের মাঝে তোর মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। যা ঘুমা আর আমাকেও ঘুমাতে দে”। আমি কান্না করতে করতে ভাইয়ার কোলের উপর বসে ঠোট দুটো চুষতে শুরু করলাম, আর কান্না করতে লাগলাম, ভাইয়া হতভম্ব হয়ে কিছু বলার সুযোগ পর্যন্ত পেলনা। হাটু দিয়ে খেয়াল করলাম, ভাইয়ার নুনু শক্ত হতে শুরু করছে, আমি আরো উত্তেজিত হয়ে গেলাম। বললাম, “আর কোন মেয়েকে তোমার কাছে আসতে দেব না, তুমি শুধুই আমার” বলে ভাইয়ার উপর শুয়ে পড়লাম। আমার কান্নার জন্য, কিংবা, উত্তেজনার জন্যই হয়তো, ভাইয়া আমাকে কিছু না বলে আমার পিঠে হাত রাখলো। আমি খুবই খুশি হলাম। ভাইয়া বললো, ” তুই আমার বোন। এসব কি ঠিক? ” আমি বললাম, “আমরা একে অপরকে ভালোবাসলে সবই ঠিক”। এটা শুনার পর ভাইয়া একটি মুচকি হাসি দিল। আমি বুঝলাম, ভাইয়ার সম্মতি আছে। বললাম, “সারা জীবন তোমার কথামতো চলবো, তুমি শুধু একটু ভালোবাসা দিও…” ভাইয়া বললো, “আমি এসব কিছু জানি না”, আমি কপালে চুমু দিয়ে বললাম, “আমিও না, শিখে নিব”। বলে রুমের দরজা লাগিয়ে দিয়ে আসলাম। আর ডিম লাইট অন করে দিলাম। ওর উপরে উঠে স্লিভ্লেসটা খুলে বললাম, “খুব গরম লাগছে” । সে নিচের দিকে তাকিয়ে শুধু বললো, “হুম” । “তাহলে তোমার গেঞ্জি খুলে ফেল।” বলে তার গেঞ্জি খুলে দিলাম। সে উঠে বসে আমার ছোট ছোট দুধ গুলোর দিকে মাথা নিচু করে তাকিয়ে রইলো… ” আমার বাবুটা কি শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে আমায় দেখবে, আমায় একটুও আদর করবে না? আমি কি দেখতে খারাপ?” সে যেন সেন্স পেল মাত্র, বললো, “আগে কখনো দেখিনি, কেমন যেন লাগছে” আমি হেসে দিলাম। সে একটু সাহস করে আমার বাম দুধটা ধরলো। আমার সারা শরীর দিয়ে শিহরণ বয়ে গেল। বললাম ” জোরে চেপে ধরো, বেবি “। বলেই তার মুখে এক দুধ ঢুকিয়ে দিলাম। এখন ভাইয়াও সারা দিতে লাগলো। নিজের আপন বোনের কাছে যৌন ক্ষিধা মেটাতে মোহগ্রস্থ হয়ে পরেছে। সে বুঝতে পারছিল না কিভাবে চুষবে, শুধু আমার ছোট্ট বোটাটা চাটতে লাগলো। চাটতে চাটতে উত্তেজনায় নুনু খুবই শক্ত হয়ে গেল। হাটু দিয়ে অনুভব করলাম… সাহস করে প্রথমবারের মতো ভিতরে হাত ঢুকিয়ে দিলাম। ভাইয়া ভয় পেয়ে গেল। বলল, “এই কি করছিস ? ” বললাম, “এতক্ষণ আমাকে আদর করছিলে এখন আমি দেখি আমার ভাইয়াটাকে একটু আদর করতে পারি কিনা” বলেই ভাইয়ার থ্রি কোর্টার একটানে খুলে ফেললাম। এই প্রথম জীবনে কোনো পুরুষের নুনু দেখলাম, তাও আবার আমার ভালোবাসার মানুষ আমার প্রিয় ভাইয়ের। সাইজে ৭/৮ ইঞ্চির মতো হবে, ফর্সা। আমার ছোট ছোট ২ হাতেও মুঠি দিয়ে একবারে ধরা গেল না। ভাইয়া হেসে দিল। সেই ভুবন ভুলানো হাসি দেখে আবারো একটি চুমু দিলাম। জিজ্ঞেস করলো, “আর কি করবি? ” “জানিনা ” বলেই নুনুর মাথাটা একটু চাটলাম। ভাইয়া এক্সমাইট্মেন্টে আহ করে উঠলো। আমিও ভাইয়ার নুনুর স্বাদে আকৃষ্ট হয়ে গেলাম। সামনের বলের মতো অংশটুকু চুষতে লাগ্লাম। মনে হলো, সারা জীবন যদি আমার ভাইয়ার নুনু চুষতে হয়, আমি নিশর্তে রাজি। আমার কেমন জানি গরম করতে লাগলো, আমি প্যালাজু খুলে ভাইয়ার সামনে নিশঙ্কোচে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে গেলাম। এখন সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে ভাইয়ার বুকের উপর বসে নুনু চুষতেই লাগলাম। বুকে বসার সাথে সাথেই, আমার গুদটা একটু একটু ভিজতে শুরু করলো, হিসু হয়ে যাচ্ছে ভেবে একটু লজ্জা পেলাম। ভাইয়াও উত্তেজনায় আমাকে তার বুকের উপর ধক্কাতে লাগলেন। এদিকে বুক থেকে বের হওয়া রসে ভাইয়ার বুক পিছলে হয়ে যায়, আমি উত্তেজনায় পাগল হয়ে যাবার মতো অবস্থা হয়। আমি নুনু চুষতে চুষতে আর ভাইয়ার বুকে গুদ ডলতে ডলতে আমি ভাইয়ার উপর শুয়ে পড়ি, আমার গুদ আর পাছা চলে যায় ভাইয়ার মুখে। ভাইয়া উত্তেজনায় আমার গুদ তার মুখের উপর চাপ দিয়ে রাখে। আমি এতো সুখ জীবনে পাইনি। আমার গুদের ওপরে হালকা হালকা লোম উঠতে শুরু করেছে এটা ভেবে একটু লজ্জা লাগলো। ভাইয়া আস্তে আস্তে আমার গুদ চাটা শুরু করলো। আমিও উত্তেজনায় আরো জোরে জোরে চোষা শুরু করি, নুনুটা যতটা পারি মুখের ভিতর ঢোকাতে থাকি। ভাইয়া আমার গুদে হাল্কা কামড় দিয়ে ধরে, স্পার্ম বের করে দিল। আমার সারা মুখ, চুল, দইএর মত থকথকে আঠালো স্পার্মে ভরে গেল। আমি যতটা পারি চেটে খেয়ে নিচ্ছি। আমিও আর ধরে রাখতে পারলাম না, গুদ দিয়ে কেমন যেন একটা আঠালো তরল বের হল, ভাইয়ার মুখে। আমি একটু লজ্জা পেলাম। কিন্তু ভাইয়া দেখলাম, এখনো আমার গুদটাকে নিজের মুখের কাছে নিয়ে, পাছার গর্ত চাটছে… আমিও ভাইয়ার নেতিয়ে পড়া নুনুকে আবার চেটে দই খেতে লাগলাম… ভাইয়া উত্তেজনায় বলল, “তিথি এতো সুখ আমি জীবনে পাই নি। আমি মনে হয় তোকেই ভালোবাসি। কেন জানি জীবনে অন্য কোন মেয়ের প্রতি মায়া হয় নি, তর উপর যতটা হয়েছে।” আমি ভাইয়ার মুখের কাছে আসলাম। ভাইয়া মুখে মেখে থাকা দই হাত দিয়ে এনে আমার বুকে লাগাতে লাগাতে বললো, “ইশ তুই, এসব মুখে মেখেছিস কেন?” বলে আমাকে প্রথমবারের মতো চুমা দিল। আমি খুবই আবেগী হয়ে পড়লাম। আমার সারা জীবনের স্বপ্ন এবার পূরণ হয়েছে। ভাইয়া এবার আমার আঠালো দুধ খুবই জোরে জোরে চাপতে লাগলো। আমি গোঙাতে গোঙাতে বললাম, “এইতো আমার ভাইয়া আমাকে আদর করতে শিখে গেছে। ” বলে ভাইয়ার মুখে লেগে থাকা আমার গুদের রস চেটে চেটে পরিস্কার করলাম। ৫ মিনিট পর, নগ্ন হয়ে ভাইয়াকে একটু নাচ দেখিয়ে বাথ্রুমে পরিস্কার হতে যাই। আজকের মতো এই পর্যন্তই। ভাইয়ার সাথে আমার রোমান্টিক সম্পর্কের সম্পর্কে আরো জানতে সারা দিন…

Comments